বন্যেরা বনে সুন্দর, শিশুরা মাতৃক্রোড়ে

সৌন্দর্য মোটেই নিরপেক্ষ নয়। স্থান-কাল-পাত্রের ওপর সৌন্দর্যের পূর্ণতা নির্ভর করে ৷

যে জিনিস যে স্থানে থাকা উচিত, সেখানে থাকলে শূধূ যে পরিবেশের ভারসাম্য রক্ষা হয় তা নয়, দেখতে সুন্দর লাগে ৷ যথার্থ স্থানেই বস্তর স্বাভাবিক বিকাশ হয় ৷ অস্থানে, কৃত্রিমভাবে যতই তাকে পরিচর্যা করা হোক তার স্বাভাবিক বিকাশ ও বৃদ্ধি ঘটবে না। পাখিকে যতই সোনার র্খাচায় রেখে বুলি শেখানো হোক, সেটা পাখির জন্য কারাগার, মানুষের জন্যও অসুন্দর ৷ তেমনি, মায়ের কোলে একটি শিশু যেমন ফুলের মতো স্বাভাবিক, অন্যের কোলে তেমন নয়। ফুল যতক্ষণ গাছের ডালে প্ৰস্ফুটিত, ততক্ষণ তার মধ্যে স্বর্গীয় সৌন্দর্য থাকে, কিন্তু বোঁটা থেকে ছিড়াল ফুলের সেই স্বভাবিক সৌন্দর্য আর থাকে না। এ জন্য বলা হয়, যার যে স্থান, তাকে যে স্থানে থাকতে দাও। যায় যে কাজ, তাকে যে কাজ করতে দাও। তাকে স্থানান্তর করলে সৌন্দার্যেৱ অবলুপ্তি’ ঘটে।

স্বাভাবিক স্থানে বস্তুর স্বাভাবিক বিকাশ ঘটে। তাকে স্থানান্তর করলে পরিবেশের ভারসাম্য যেমন নষ্ট হয়, তেমনি সৌন্দর্যেৱও হানি ঘটে।